মোবাইল: 01924992709, <br>অফিস: ০৬৪১-৬৫৫৩১

রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী

রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী

HAPPY NEW YEAR-2019

HAPPY NEW YEAR-2019

বাজেট অধিবেশন

বাজেট অধিবেশন

টিএলসিসি সভায় মেয়র,  রাজবাড়ী পৌরসভা|

টিএলসিসি সভায় মেয়র, রাজবাড়ী পৌরসভা|

মাননীয় প্রতি মন্ত্রী ,এমপি ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সঙ্গে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে মেয়র

মাননীয় প্রতি মন্ত্রী ,এমপি ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সঙ্গে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে মেয়র

খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজ এ ইউজিআইআইপি আয়োযিত অনুষ্ঠানে

খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজ এ ইউজিআইআইপি আয়োযিত অনুষ্ঠানে

 রাজবাড়ী পৌর পরিসদ সভাঃ ডিসেন্বর-২০১৮

রাজবাড়ী পৌর পরিসদ সভাঃ ডিসেন্বর-২০১৮

জিআরসি সভা।

জিআরসি সভা।

রাজবাড়ী পৌরসভায় নাগরিক সম্ভাধনা

রাজবাড়ী পৌরসভায় নাগরিক সম্ভাধনা

 রাজবাড়ী পৌরসভার রাস্তা পরিদর্শণে মেয়র

রাজবাড়ী পৌরসভার রাস্তা পরিদর্শণে মেয়র

Bhabanipur road

Bhabanipur road

EtimKhana Road

EtimKhana Road

Welcome to রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী

Rajbari Municipality, Rajbari | রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী

রাজবাড়ী পৌরসভার ইতিহাস ও ক্রমবিকাশ রাজবাড়ী পৌরসভাটি ১৯১৩ সালে স্থাপিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল টাউন কমিটি। পরবর্তীতে ১৯২৩ সালে এর নাম হয় রাজবাড়ী মিউনিসিপ্যালিটি। তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায় ১৬ জন মিউনিসিপ্যাল কমিশনারের সমন্বয়ে যে বোর্ড গঠিত হতো তার দ্বারা মিউনিসিপ্যালিটি পরিচালিত হতো। উক্ত মিউনিসিপ্যালিটি থেকে দি মিউনিসিপ্যাল অর্ডিন্যান্স এ্যাক্ট ১৯৬০ এর বলে রাজবাড়ী টাউন কমিটিতে পূণর্বিন্যাস করায় তা টাউন কমিটি নামে পূণর্গঠিত হয়। টাউন কমিটির এরিয়া ছিল ৩.৫ বর্গ মাইল এবং লোকসংখ্যা ছিল ১৬,০৬০ জন। টাউন কমিটি এর চেয়ারম্যানসহ ১৩ জন মেম্বার দ্বারা পরিচালিত হতো। এর প্রধান আয়ের উৎস ছিল হোল্ডিং ট্যাক্স। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ লোকাল কাউন্সিল এবং মিউনিসিপ্যাল কমিটি ১৯৭২ এর আদেশ বলে রাজবাড়ী মিউনিসিপ্যালিটি রাজবাড়ী পৌরসভায় পরিনত হয়। পরবর্তীতে তা প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় উন্নীত হয়। উল্লে¬খ্য যে, তৎকালীন চেয়ারম্যান জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নিযুক্ত হতেন না। কমিশনারগন চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতেন। অতঃপর ১৯৫৩ সাল হতে জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ষাট এর দশক থেকে রাজবাড়ী পৌরসভায় ভৌত অবকাঠামোসহ শহরের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। ১৯৬২ সালে রাজবাড়ী প্রধান সড়কটি নির্মিত হয়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রচেষ্টায় শহরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সাথে সাথে বিশেষ করে পাকা রাস্তা, ব্রীজ, কালভার্ট, ড্রেন, মার্কেট, বাজার স¤প্রসারণ, শিশুপার্ক, শিশু হাসপাতাল ইত্যাদি নির্মিত/স্থাপিত হওয়ায় শহরের শ্রীবৃদ্ধিসহ পরিপূর্ণ শহরে পরিণত হয়। এছাড়া শহরের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পর্যাপ্ত সড়ক বাতি, স্যানিটেশন এবং শহর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি নাগরিক সুবিধাদির ফলে এই শহরে জনবসতির হার অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। সে সাথে বিপুল সংখ্যক পাকা ইমারত/বাড়ীঘরও নির্মিত হয়েছে। উল্লে¬খ্য যে, এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধার কারণে পৌর এলাকা স¤প্রসারিত হয়েছে এবং পৌর এলাকাকে তিনটি ওয়ার্ডের স্থলে নয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়েছে। শহর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে বিশেষ উল্লে¬খযোগ্য হিসাবে শহরের প্রাণকেন্দ্র দিয়ে অতিবাহিত মাঝখানে বৃক্ষ শোভিত একমূখী প্রধান সড়কটি চিহ্নিত করা যায়। পৌরসভা অধ্যাদেশ/১৯৭৭ অনুযায়ী পৌরসভাগুলি পরিচালিত হয়ে আসছিল। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের অধ্যাদেশ মোতাবেক চেয়ারম্যান পদকে মেয়র এবং কমিশনার পদকে কাউন্সিলর নামকরণ করা হয়। বর্তমানে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন/২০০৯ মোতাবেক পৌরসভার যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সে অনুযায়ী একজন মেয়র, তিনজন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর এবং নয়জন কাউন্সিলরের সমন্বয়ে বর্তমান পরিষদ কার্যকর আছে।

পর্যটন ও ঐতিহাসিক স্থান


Top